মেনু নির্বাচন করুন

সাম্প্রদায়িক সম্প্রতির ছবি

১। কাউয়ামারা শ্মশানখোলা ও সাবজনীন মন্দির

কেয়াইন ইউনিয়নের অন্তর্গত কাউয়ামারা স্নানঘাট টি প্রায় হাজার বছর পূর্ব হতেই আবাহমানকাল থেকে এখানে ঐতিহাসিক হিন্দুধর্মীয় বারুনী স্নান মেলা হয়ে আসছে এখান হিন্দু পূনার্থীরা বারুনী তিথীতে স্নান করলে পাপমোচন হয় বলে বিশ্বাস।  এবং হিন্দু ধর্মীয় বিভিন্ন পূজা (দুর্গা পূজা, মনসা পূজা, লক্ষ্মী পূজা, বিশ্বকর্মাপূজার দশমী মেলা বসত একসময়। কালের আবতনে এবং বিভিন্ন স্বার্থান্বেষী মহলের প্রলুপ থাবায় অনেক জায়গা বেদখল হয়ে গেছে ও মামলা মোকদ্দমা চলেছে। সত্তুর দশকের পর থেকে এখানে বাসন্তী পূজা হয়। কৃষ্ণ মন্দির স্থাপিত হয়। এছাড়া সবচেয়ে পুরাতন কালী মন্দিও আছে এখানে। আরো আছে শনি দেবের মন্দিও, লোকনাথ বাবার মন্দির। এখানে একটি শ্মশান আছে সুদূও প্রাচীন কাল থেকে এখানে হিন্দু ধর্মীয় লোকদের শবদেহ দাহ্য করা হয় ও সমাধি দেওয়া হয়।

২। শুলপুর খ্রিষ্টীয় গীর্জা

১৮৬২ খ্রীঃ ইট সুরকির গাথনি দিয়ে ও ছনের চাল যুক্ত ১ম গীর্জাটি স্থাপন করা  হয়। এরপর ১৯২২ খ্রীঃ টিনসেড  গীর্জা নির্মান হয়। এরপর ১৯৬২ খ্রীঃ গীর্জাটি পুনঃ সংস্কার করা হয়। পরবর্তীতে ১১ই এপ্রিল ১৯৯৭ খ্রীঃ আর্চবিশপ মাইকেল ডি রোজারিও বর্তমানের নব নির্মিত  গীর্জাটি তৈরি করেন। এ ধর্মপল্লীতে বর্তমানে জনসংখ্যান ৩ হাজার। প্রায় ৩ হাজার খ্রিষ্টানধর্মালম্বী জনগণ এই প্রার্থনালয়ে এদের নিজ নিজ ধর্ম অনুসারে প্রার্থনা করে থাকেন। গীর্জাটি অত্যন্ত সুন্দর মনোরম পরিবেশে অবস্থিত।

 

৩। কোটগাও ঐতিহ্য বাহী বাদশা জাহাঙ্গীর জামে মসজিদ

কেয়াইন ইউনিয়নের অন্তর্গত কোটগ্ওা গ্রামের ঐতিহাসিক মসজিদটি ষোড়শ শতকের শেষের দিকে পারস্য ধর্ম প্রচারক গন ধর্ম প্রচারের উদ্দেশ্যে এখানে এসে ধর্ম প্রচার করেন তখনই এই মসজিদটি স্থাপিত হয়। এই মসজিদটি বর্তমানে রতন মিয়া সাহেব এর পরিবার থেকে মোত্তালির দায়িত্ব পালন করে আসছে। বর্তমানে এখন এর সভাপতি হিসাবে আছেন জনাব সানু মিয়া সাহেব। মসজিদটি দীর্ঘদিন কোন সংস্কার না হওয়ায় এটি ঝুকিপূর্ণ অবস্থায় আছে। এটি একটি ঐতিহাসিক স্থাপনা। 

 


Share with :

Facebook Twitter